Welcome!

I am Jubayer Ibn Kamal Student Writer

View Work Hire Me!

About Me

Web Design
Branding
Development
Who am i

John Doe.

Professional Web Designer

Nulla metus metus ullamcorper vel tincidunt sed euismod nibh Quisque volutpat condimentum velit class aptent taciti sociosqu ad litora.

Nulla metus metus ullamcorper vel tincidunt sed euismod nibh Quisque volutpat condimentum velit class aptent taciti sociosqu ad litora torquent metus metus ullamcorper vel tincidunt sed class aptent taciti sociosqu ad litora .

Services

Web Design

আমি এখানে বাংলাতে কিছু লেষ্টা করি

Development

Nulla metus metus ullamcorper vel tincidunt sed euismod nibh Quisque volutpat

Branding

Nulla metus metus ullamcorper vel tincidunt sed euismod nibh Quisque volutpat

Marketing

Nulla metus metus ullamcorper vel tincidunt sed euismod nibh Quisque volutpat

Our Blog

আমাদের তারাবী


অনেকেই জানেন না যে আমার কুরআন পুরোটা মুখস্থ।

তারাবীর নামাযের মজা আমার পেতে হয়েছে দু’রকম ভাবে। হয় নামাযের নাম করে ঘুরে বেড়িয়ে। অথবা নিজে নামাজ পড়ানোর ফান্দে পড়ে। দুটোরই আলাদ মজা। যখন আমি প্রথম তারাবীর নামায পড়ানোর জন্য ইমাম হিসেবে দাঁড়াই তখন আমার বয়স ১৩-১৪ হবে। বুক দুরপুর করছে। সে কি অনুভূতি!



যদি কোনভাবে নির্ধারিত দিনের অংশটা ঠিকঠাক পড়া না হতো তবে নামাযের ভেতর মন বসতো কিনা তা নিয়ে আমার বিশদ সন্দেহ। মিথ্যে বলবোনা, পরের রাকাতে যেই পৃষ্ঠা পড়া হবে তা অনেক সময় রুকু-সেজদাতে গিয়েও পড়েছি। আর সবচেয়ে ভয়ংকর মুহূর্ত হলো কোন আয়াতের কোন অংশ বাদ পরে যাওয়া। ভাইরে ভাই সেটা রেলগাড়ির অচেনা রাস্তার মত। এক আয়াত থেকে অন্য আয়াতে কিভাবে আপনি হারিয়ে যাবেন নিজেই বুঝবেন না।

তবে যখন হাফেজ হইনি তখনও আমি নিয়মিত তারাবী পড়তাম। ছোটবেলা থেকেই। এটা ছিলো বড় ভুল। নামাযের নাম করে বাইরে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ পেতাম না। কারণ অলরেডি মসজিদের সবাই চিনে ফেলেছে। এক বোতল পানি নিয়ে আর অন্য হাতে জায়নামায বগলদাবা করে মসজিদে ছুটতাম। টাকা থাকলে হালিম আর বট ভাজা খেতাম আসার সময়। আমাদের বাড়িওয়ালা আমার নামায পড়বার ব্যাপারটা হেব্বি পছন্দ করেছিলেন। তাই তিনি বেশ কয়েকদিন ফিরবার পথে আমাকে চিপস কিনে দিয়েছিলেন। বিশ্বাস করেন, এরপর আমি বহুদিন তারাবীর নামায পড়তে গিয়েছি এজন্য যে, ফিরবার পথে সে আমাকে চিপস কিনে দেবেন।

তারপর হঠাৎ একদিন আমি মাদ্রাসা থেকে বাসায় ফিরলাম। বাড়িওয়ালা (তাকে নানা বলে সম্বোধন করতাম) সে ছুটে এলো। আমাকে অবাক ও বিস্ময়ের চোখে জিজ্ঞেস করলো, তুমি নাকি পুরা কুরআন মুখস্থ করে ফেলসো? আমি মুচকি হেসে বললাম, জ্বী নানা তা করেছি বটে। তিনি অবাক হবার দৃষ্টি আরো প্রসারিত করে বললেন, তার মানে তুমি মুখস্থ কোরআন খতম দিসো? আমি বললাম, আমি তো দুই খতম মুখস্থ শুনিয়েই আসলাম। তিনি অবাক দৃষ্টিতে হাঁ হয়ে রইলেন। তাকে আর বলা হয়নি আমি পাঁচ খতম মুখস্থ শুনিয়েছিলাম। তারপর উনি মাঝেমধ্যেই বাচ্চাদের মত প্রশ্ন করতেন। যেমন একদিন জিজ্ঞেস করলেন, আমি কি পড়ার সময় যে টান দেয় বা গুন্নাহ করে তাও মুখস্থ জানি কিনা। আমি বললাম জানি। বা জিজ্ঞেস করতেন নামাযে দাঁড়িয়ে মুখস্থ যখন পড়ি তখন চোখের সামনে কী আসে? আমি বললাম, কুরআনের পাতাগুলো হুবুহু ভাসে। তার অবাক হওয়া থামেনা।

তারপর আস্তে আস্তে দুনিয়ার কত্ত পড়াশোনায় মন দিলাম। মাদ্রাসা পেরিয়ে এখন উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছি। কিন্তু তাও রাতের বেলা হঠাৎ হঠাৎ মনে হয় আমার ছোট্টবেলার কোমল বুকে ধারণ করেছিলাম উচ্চশিক্ষার মসনদ।

যাইহোক এবারই প্রথম আমি না তারাবীর নামায পড়াচ্ছি, না মসজিদে তারাবীর নামায পড়ছি, না নামায পড়ার নাম করে ঘুরছি। ঘরে বসে বিশ রাকাত তারাবী পড়ার ইচ্ছে নিয়ে কখনই জন্মাইনি।

ও হ্যাঁ, কিছুদিন আগে সেই আমার ছোট্ট বাড়িওয়ালা নানা বরিশালের একটা চিলেকোঠায় টুপ করে মরে গেলেন। তিনি আমাকে বই পড়া শিখিয়েছিলেন। বলেছিলেন আমি বড় হলে আমাকে একটা বিশাল বই রাখার ঘর দেবেন ফ্রি তে। আমি তার মৃত্যুর খবর বাবার থেকে জানলাম। এবং একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লাম। আমার ঘরভর্তি বইয়ের খবর সে জানলোই না। আফসোস!






প্রথম আলোর একজন জ্যেষ্ঠ সংবাদকর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত




প্রথম আলোর একজন জ্যেষ্ঠ সংবাদকর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি বাসাতেই সঙ্গনিরোধ (আইসোলেশন) অবস্থায় ছিলেন। আজ সোমবার তাঁকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসাসহ সব বিষয়ে প্রথম আলো ওই সংবাদকর্মী ও তাঁর পরিবারের পাশে রয়েছে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আজ থেকে প্রথম আলো প্রকাশের প্রায় শতভাগ কাজ বাসা (হোম অফিস) থেকে সম্পন্ন করা হচ্ছে। প্রথম আলোর সাংবাদিক ও অন্য সব বিভাগের কর্মীরা বাসা থেকে কাজ করছেন।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে প্রথম আলো কার্যালয়ে স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী সতর্কতামূলক সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। সিংহভাগ কর্মী এত দিন হোম অফিসের মাধ্যমে কাজ করে আসছিলেন।

প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মহামারির এই দুর্যোগকালীন অবস্থায় প্রধান কার্যালয় কার্যত বন্ধ রেখে প্রথম আলো পত্রিকা ও অনলাইন প্রকাশনা অব্যাহত থাকবে।

কারওয়ান বাজারে খুচরা বেচাকেনা বন্ধ




রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এখন থেকে আর কোনো খুচরা বিক্রেতা বসতে পারবেন না। নগরবাসীও দৈনন্দিন বাজার করতে এখানে আর ভিড় জমাতে পারবেন না। এখন থেকে শুধু পাইকারি ব্যবসায়ীরাই এখানে বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী বেচাকেনা করতে পারবেন।

কারওয়ান বাজার এলাকায় ব্যবসায়ী, বিক্রেতা ও কমর্চারী মিলে এখন পর্যন্ত ছয়জনের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ছাড়া সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখেই এত দিন এখানে বাজার-সদাই চলমান ছিল। বাজার থেকে সংক্রমণ রোধে আজ মঙ্গলবার থেকে পুলিশ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কমর্কর্তা (ওসি) হাসনাত খন্দকার প্রথম আলোকে বলেন, খুচরা বিক্রেতারা এখন থেকে সরকারি বিজ্ঞান কলেজের সামনের সড়কে বসবেন। শাকসবজি এবং খাদ্যদ্রব্য পাইকারি ব্যবসায়ীদের রাত ৯টা থেকে রাত ২টার মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে। আর মাছ বিক্রেতা এবং আড়তদারেরা ব্যবসার জন্য সময় পাবেন ভোর ৪টা থেকে সকাল ৯টা পযর্ন্ত।

ওসি জানান, বাজারে গাড়িগুলা ঢুকবে সিএ ভবনের পাশের গলি, ওয়াসা ভবনের সামনের গলি এবং হোটেল লা ভিঞ্চির সামনের গলি দিয়ে। আর বাজার থেকে বেরিয়ে যাবে পেট্রোবাংলা এবং টিসিবি ভবনের সামনের রাস্তা দিয়ে।

Contact Us

Phone :

+20 010 2517 8918

Address :

3rd Avenue, Upper East Side,
San Francisco

Email :

email_support@youradress.com

Search This Blog

Blog Archive

Powered by Blogger.